৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রশ্নফাঁসে ভর্তি: বাতিল হতে পারে ছাত্রত্ব

অনলাইন ডেস্ক: ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে দেশে বেশ কয়েক বছর মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা তখন রাস্তায় নেমে এসেছিল, উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু পুলিশ ঘটনার কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর মূল হোতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেসের মেশিনম্যান সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা বলছেন, এই ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ছাত্রত্ব বাতিল হতে পারে প্রশ্নফাঁসে ভর্তি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের।

সালামসহ প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের আটক করার পর রিমান্ডে নেয় সিআইডি। স্বীকারোক্তির পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ৭৮ মেডিকেল শিক্ষার্থীর তালিকা পাওয়া গেছে, যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হয়েছেন।

সিআইডি বলছে, অচিরেই তারা এভাবে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভর্তি হওয়া বাকি শিক্ষার্থীদের পরিচয় বের করে ফেলতে পারবেন। প্রশ্ন উঠেছে, এসব মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত কী হবে?

ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, সিআইডির কাজ শেষ হলে আমরা তাদের কাছে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা চাইবো।

আমাদের প্রতিষ্ঠানের কেউ যদি থাকে তাহলে প্রচলিত আইনে তাদের শাস্তি হবে। বাতিল হতে পারে ছাত্রত্বও। একই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তার মদদে এমন ঘটনা ঘটেছে। মূল কাজটি করতেন প্রেসের মেশিনম্যান সালাম, সহযোগিতায় ছিল তার খালাতো ভাই জসীম।

এই দুজন মিলে দেশব্যাপী একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সেই নেটওয়ার্ক হয়ে সারাদেশে পরীক্ষার আগেই ছড়িয়ে পড়তো প্রশ্নপত্র।

ফেসবুক