৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনা ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ

অনলাইন ডেস্ক: দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। পরিবার, স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে চান সবাই।

তাই নাড়ির টানে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট দিয়ে বাড়ি ছুটছে মানুষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নামে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে।

দিনভর লঞ্চ, সি-বোট ও ফেরিতে নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির পানে ছুটেছেন দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে ঘরমুখোদের এ যাত্রা ‘জনস্রোতে’ পরিণত হয় শিমুলিয়াঘাট। তবে মালবাহী গাড়ি পারাপার বন্ধ থাকায় ঘাটে গাড়ির চাপ অনেকটাই কম রয়েছে। জানা যায়,

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ১০টি ফেরি দিয়ে যান পারাপার স্বাভাবিক রেখেছেন ঘাট কর্তৃপক্ষ। ১০টি ফেরির পাশাপাশি ৮৭টি লঞ্চ ও তিন শতাধিক সি-বোট দিয়ে এ রুটের হাজার হাজার মানুষ দক্ষিণবঙ্গে ছুটছেন।

এদিকে নাব্যতা সংকট ও প্রবল স্রোতের কারণে টানা দুই সপ্তাহ ধরে এ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ফেরি বন্ধ থাকে, দিনে সীমিত আকারে যানবাহন নিয়ে পাড়ি দিচ্ছে ফেরিগুলো।

ফলে ঘাট এলাকায় ছোট বড় গাড়ির একটু চাপ পড়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরে চোখে পড়ার মতো ছিল মোটরসাইকেল। রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে শিমুলিয়া ঘাটে ঝাঁকে ঝাঁকে আসছিল মোটরসাইকেল।

ফেরি সমস্যার কারণে ঘাটে আসা বেশিরভাগ যাত্রীকে লঞ্চযোগে পদ্মা পাড়ি দিতে দেখা গেছে। তবে লঞ্চগুলোতে অধিকযাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। আর মানা হচ্ছে না কোনো ধরনে স্বাস্থ্যবিধি। একই চিত্র সি-বোট ঘাটের। এ কারণে দুর্ঘটনা আর করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে গত মঙ্গলবার দুপুরে ৩ নম্বর রো-রো ফেরি ঘাটটি পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। যার ফলে গত মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত রো-রো ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। বুধবার সকাল ৯টা থেকে ২ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে রো-রো ফেরি চলাচল শুরু করে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। বর্তমানে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক।

গত মঙ্গলবার রো রো ফেরি বন্ধ থাকার পর বুধবার সকালে সেটি চলাচল শুরু করে। মোট ১০টি ফেরি দিয়ে এ পথে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ঘাট এলাকায় তেমন যানজট নেই। তবে দুপুরে একটু ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ পড়েছিল। পরে বিকালে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যায়।

ফেসবুক