৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আমদানিতে সর্বোচ্চ রাজস্ব দিয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক : ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে বেসরকারি খাতে এককভাবে সর্বোচ্চ ৭৫০ কোটি টাকার রাজস্ব দিয়েছে দেশের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ। এককভাবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অয়েল গ্যাস অ্যান্ড মিনারেল।

তবে বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনার কারণে গতবছরের তুলনায় এ অর্থবছর রাজস্ব আয় কমেছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

মূলধনী যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ও কাঁচামালের ৩৭ শতাংশ শুল্ক। তৈরি পণ্য ৫৭ শতাংশ আর বিলাসী পণ্যের শুল্ক ৫৫০ শতাংশ। বেসরকারি খাতের শীর্ষে আবুল খায়ের গ্রুপের স্টিল, রড, সিমেন্ট, ঢেউটিন, টোব্যাকো, গুঁড়ো দুধ, চা পাতা ও সিরামিক মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৭শ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে।

কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা জানান, রাজস্ব আদায়ের দিক থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানই শীর্ষ রয়েছে। মূলত জ্বালানি পণ্য আমদানি থেকে সিংহভাগ রাজস্ব আদায় হয়। বেসরকারি খাতের শীর্ষপর্যায়ের আমদানিকারকদের মধ্যে রয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ, পিএইচপি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, ট্রান্সকমসহ আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আমদানি পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক আদায় হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গেল অর্থবছরে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানিকারকদের তালিকা থেকে জানা যাচ্ছে সরকারি সাতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে শীর্ষ পর্যায়ে। বাকি ছয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান মিলে সরকারকে রাজস্ব দিয়েছে মোট ৫ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ইস্টার্ণ রিফাইনারি, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্রগতি। এসব প্রতিষ্ঠান আমদানি করে জ্বালানি তেল, এলএনজি, নতুন গাড়ির যন্ত্রাংশ।

কাস্টমসের তালিকায় ২০টি আমদনিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭টিই সরকারি। বাকি ১৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ ১৯৫৩ সালে বিড়ি দিয়ে তাদের ব্যবসা শুরু করে। চট্টগ্রামভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি আমদানিকারকও।

ফেসবুক