২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ইসির মামলায় ডা. সাবরীনা রিমান্ড শেষে কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক: তথ্য গোপন করে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) গ্রহণ করার অভিযোগে রাজধানীর বাড্ডা থানার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফকে দুদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী এই আদেশ দেন। আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জিআরও বলেন, এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর সাবরীনার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত শনিবার তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। আজ রিমান্ড শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তাঁর আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে, বিচারক শুনানি শেষে তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

গত ৩০ আগস্ট রাতে গুলশান থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মমিন মিয়া বাদী হয়ে ডা. সাবরীনার বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন।

গত ২৭ আগস্ট নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফের দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রই ব্লক করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ওই দিন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক থেকে জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফের দ্বৈত ভোটার হওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়।

তারপর আমরা তাঁর দুটি পরিচয়পত্র যাচাইয়ের জন্য তদন্ত করি। তদন্ত করে দেখা গেছে, ডা. সাবরীনার দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে।

প্রথমটি করা হয়েছিল ২০০৯ সালে। যেটি মোহাম্মদপুর থানা নির্বাচন অফিস থেকে করা হয়। আর দ্বিতীয়টি গুলশান থানা নির্বাচন অফিস থেকে ২০১৬ সালে করা হয়।’

মহাপরিচালক ওই দিন আরো বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্রথমটি বৈধ, দ্বিতীয়টি অবৈধ।’

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print
ফেসবুক