১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আলুর কেজি ৮ টাকা!

অনলাইন ডেস্ক: আলু উৎপাদনের শীর্ষ জেলা মুন্সিগঞ্জে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। রেকর্ড পরিমাণ আলু আবাদের পর কৃষক এখন পরিচর্যায় ব্যস্ত। শীতও বাধা হতে পারেনি। প্রতিদিন ভোর থেকেই ফসলের মাঠে চলে কৃষকের নানা তৎপরতা। শীত-কুয়াশা উপেক্ষা করেই আলুর জমি পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকেন কৃষক। এত পরিশ্রম আর বাম্পার ফলনেও দরপতনের কারণে হতাশায় কৃষক।

আলুর বাজারে কেজি প্রতি খুচরা মূল্য ১৩-১৫ টাকা। কিন্তু জমিতে আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকায়। কিন্তু কেজিতে আলু উৎপাদন খরচ হয়েছে অন্তত ১২ টাকায়। তাই লোকসানের শঙ্কায় এখন কৃষক।

অনেক প্রান্তিক কৃষক ধার-দেনা করে আলু চাষ করেছেন লাভের এবার লাভের আশায়। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই দরপতনে দুশ্চিন্তায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. শাহ আলম জানিয়েছেন, যে হারে আলুর উৎপাদন বাড়ছে আলুর বহুমুখী ব্যবহার না বাড়ালে এবং আলু রফতানি করার ব্যবস্থা না হলে কৃষকের বিপাকে পড়তে হবে।

জেলার প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টন ধারণক্ষমতার ৬৮ হিমাগারও প্রস্তুত আলু সংরক্ষণে। কিন্তু আলুর এই পানির দরের কারণে কৃষকের কি হবে? এই প্রশ্ন মহাকলী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলাম বিরাজের। তিনি বলেন, আবারো কী মধ্যস্বত্বভোগীরা আলুর সুফল নেবে আবার কৃষকরা ঘামের মূল্য পাবে না? এটা সরকারকে দেখতে হবে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন ও মাসুম মিয়া জানান, উপকরণ সহজলভ্য, আবহাওয়া অনুকূল এবং রোগবালাই না থাকায় এবার আলু বাম্পার ফলনে আশা করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় চলতি মৌসুমে ৩৭ হাজার ৭০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। ১৩ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি আলু উৎপাদন হবে। এরই মধ্যে মুন্সিগঞ্জের আলুভিত্তিক অর্থনীতি হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

 

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print
ফেসবুক