২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

এক মাস বন্ধ লঞ্চ, বেতন-বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তায় কর্মচারীরা

জনপত্র ডেস্ক: মহামারি করোনার কারণে এক মাস ধরে বন্ধ লঞ্চ সার্ভিস। চরম বিপাকে পড়েছে নৌ শ্রমিকরা। দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন তারা। এমনকি আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে তাদের বেতন ভাতা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা।

যদিও মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রণোদনার জন্য সব শ্রমিকের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো কোনো মালিক নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন ভাতা পরিশোধ করছেন।

লঞ্চঘাটের কর্মব্যস্ততার চিরচেনা দৃশ্য দেখা যায় না গেলো একমাস ধরে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা লঞ্চগুলোর মতই যেন প্রাণহীন বরিশাল আধুনিক লঞ্চঘাট। ৫ এপ্রিল থেকে কোনো লঞ্চ ভেড়েনি এখানে। এমনকি ছেড়ে যায়নি কোন লঞ্চ। পন্টুনই অলস বসে আছে অর্ধশত লঞ্চ। যদিও এখনো অনেক কর্মচারীই থাকছেন লঞ্চেই।

সামনে ঈদ। অথচ কাজ নেই। উপার্জনও বন্ধ। তাই দুশ্চিন্তায় শ্রমিকেরা। লঞ্চ মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, সারা দেশের প্রায় সাতশ’ লঞ্চ চলাচল করে। গেল বছরেও বন্ধ ছিল বেশ কিছুদিন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এবার শ্রমিকদের বোনাস তো দুরের কথা বেতন দিতেই হিমশিম খাচ্ছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সুন্দরবন লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, আমরা নিজস্ব তহবিল থেকে শ্রমিকদের ত্রাণ দিয়েছি। কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ৫০ ভাগ বেতন ভাতা দিয়েছে। আবার কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধ করবে।

তিনি বলেন, আমরা সব শ্রমিকের আইডি কার্ডসহ তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে প্রেরণ করেছি। দুই এক দিনের মধ্যে শ্রমিকরা প্রণোদনা পাবেন বলে আমরা মনে করি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print
ফেসবুক